Non-Professional Driving Licence
-
Jun, Mon, 2026
🚗 অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম
বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সহজ গাইডলাইন (২টি ধাপে সম্পন্ন)
ধাপ ১ প্রাথমিক যোগ্যতা
- বয়স: ন্যূনতম ১৮ বছর পূর্ণ হতে হবে।
- শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম ৮ম শ্রেণী বা সমমান পাস।
ধাপ ২ লার্নার বা শিক্ষানবিস লাইসেন্সের জন্য যা লাগবে
মূল লাইসেন্সের আবেদন করার আগে লার্নার লাইসেন্স নিতে হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
- মোবাইল নাম্বার: NID কার্ড দিয়ে ভেরিফাইড করা নাম্বার।
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): আবেদনকারীর এনআইডি কার্ডের স্ক্যান কপি।
- শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ: ৮ম শ্রেণী, এসএসসি বা সমমানের সার্টিফিকেট।
- মেডিকেল সার্টিফিকেট: রেজিস্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিআরটিএ নির্ধারিত ফরমের সার্টিফিকেট।
- রক্তের গ্রুপ: ব্লাড গ্রুপিং রিপোর্টের কপি (মেডিকেল সার্টিফিকেটে না থাকলে)।
- ইউটিলিটি বিলের কপি: বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে গ্যাস, বিদ্যুৎ বা পানির বিল (বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা ভিন্ন হলে)।
- ডেলিভারি স্লিপ: পূর্বের মেয়াদযুক্ত ডেলিভারি স্লিপ বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্মার্ট কার্ড (যদি থাকে)।
- অতিরিক্ত: প্রোফাইল হালনাগাদের জন্য বাবা-মায়ের ইংরেজি নাম এবং পাসপোর্ট সাইজ ছবি/পাসপোর্টের কপি।
ধাপ ৩ মূল (স্মার্ট কার্ড) লাইসেন্সের জন্য যা লাগবে
লার্নার পাওয়ার ২ মাস পর লিখিত, মৌখিক ও ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস করার পর যা প্রয়োজন:
- লার্নার লাইসেন্সের মূল কপি: পরীক্ষায় পাস করার সিলসহ লার্নার কার্ড।
- পরীক্ষায় পাসের প্রমাণপত্র: অনলাইনে পাস দেখানোর পর মূল আবেদনের সুযোগ পাবেন।
- মূল ফি জমাকরণ: পরীক্ষা পাশের পর অনলাইন থেকে সরকারি ফি জমা দিতে হবে।
💡 বিশেষ দ্রষ্টব্য: বর্তমানে বিআরটিএ-তে (BRTA) সরাসরি কোনো কাগজপত্র জমা দেওয়া লাগে না। সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অনলাইনে স্ক্যান করে আপলোড করলেই কাজ সম্পন্ন হয়।
